ঢাকাWednesday , 7 October 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • অবসরের তিন মাস আগে ‘অনিয়মে’ পদায়ন, নেপথ্যে কোটি টাকার টেন্ডার সিন্ডিকেট

    admin
    October 7, 2026 10:03 pm
    Link Copied!

    বিশেষ প্রতিবেদক

    কক্সবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা, সরকারি চাকরি বিধিমালা এবং পরিপত্র বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চরম অনিয়ম ও নজিরবিহীন স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে ১৭ মাস আগে শাস্তিমূলক বদলি হওয়া স্বাস্থ্য বিভাগের ১৪তম গ্রেডের কর্মচারী (প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক) তুষার কান্তি পাল অবসরের মাত্র তিন মাস আগে ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তা (প্রশাসনিক কর্মকর্তা) পদ বাগিয়ে নিয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, কোটি টাকার ই-টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ ও নিজেদের সিন্ডিকেটের হাত শক্ত রাখতেই বিপুল অঙ্কের বিনিময়ে এই বেআইনি পদায়ন বাগানো হয়েছে।
    অনুসন্ধানে দেখা যায়, গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক (উপ-পরিচালক) ড. মং টিং ঞো স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে (স্মারক নং-৪৫.০০.০০০০.১০০০০৯২২.২০২৬.২৩৬৭) ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের ওষুধ, এমএসআর সামগ্রী, গজ-তুলা, সার্জিক্যাল ব্যান্ডেজ, কেমিক্যাল রিয়েজেন্ট, এক্স-রে ফিল্ম ও আসবাবপত্র ক্রয়ের জন্য কোটি কোটি টাকার ৭টি পৃথক লটে ই-টেন্ডার (Tender ID: 1337377, 1337379, 1337380, 1337382, 1337383, 1337385 ও 1337386) আহ্বান করা হয়। গত ৬ অক্টোবর টেন্ডার বিক্রয় ও দাখিলের সময়সীমা শেষ হয়েছে। এই বিপুল অঙ্কের সরকারি কেনাকাটার টেন্ডার প্রক্রিয়া পূর্বের ন্যায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে পোক্ত রাখতেই তুষার কান্তি পাল লাখ টাকা খরচ করে স্ববেতনে প্রশাসনিক কর্মকর্তার পদে পদায়ন নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    বিধিমালা ও পরিপত্রের চরম লঙ্ঘন
    অনুসন্ধানে জানা যায়, চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালককে বশবতী/প্রভাবিত করে গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে (স্মারক নং-বিংপঃস্বাস্থ্যঃ৪/৪(চট্টগ্রাম ও কক্স)/প্রশা-২০২৬/১৪-৪৫/৮) এই পদায়নের আদেশ জারি করানো হয়। যদিও আদেশে শর্ত দেওয়া হয় “ডিপিসি (DPC) সভায় জ্যেষ্ঠতা না থাকলে পূর্ব পদে ফেরত যেতে বাধ্য থাকবেন”, তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন এটি প্রশাসনিক জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের নামান্তর।

    সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী যেসব নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে:
    ১. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুস্পষ্ট পরিপত্র অমান্য:- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২৮/১১/২০২১ তারিখের (স্মারক নং-৫৪৮/১-৮) পরিপত্র অনুযায়ী, মাঠ পর্যায়ের কার্যালয়ে পদবী পরিবর্তন করে স্ববেতনে, সাময়িকভাবে বা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পদায়ন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরিপত্রে স্পষ্টভাবে বলা আছে, এ ধরনের আবেদন মঞ্জুর বা আদেশ জারির কোনো সুযোগ নেই।
    ২. ১৪তম গ্রেড থেকে সরাসরি ১০ম গ্রেডে বসানো:- ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ এবং পদোন্নতি বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটি (DPC) ও গেজেটেড জ্যেষ্ঠতা তালিকা ছাড়া ১৪তম গ্রেডের কোনো কর্মচারী সরাসরি ১০ম গ্রেডের ২য় শ্রেণীর কর্মকর্তা পদে চলতি দায়িত্ব বা পদায়ন পেতে পারেন না।
    ৩. সরকারি আদেশ অমান্য ও অসাধাচারণ:- রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে বদলী হয়ে আসা কর্মচারী কে বদলি আদেশ (তারিখ: ০৪/০৫/২০২৫) অনুযায়ী দায়িত্ব বুঝিয়ে না দিয়ে প্রায় তিন মাস ধরে তাঁর পদ ও অধিকার বঞ্চিত রাখা হয়েছে। গত ০৭/০৮/২০২৫ তারিখে লিখিত আবেদন করেও তিনি দায়িত্ব পাননি, যা সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা বিধিমালার ৩(খ) ধারা অনুযায়ী চরম অসাধাচরণের শামিল।

    পঁচিশ স্বজনের ‘পারিবারিক দুর্গ’
    অনুসন্ধানে প্রকাশ পেয়েছে, হাসপাতালের হিসাব রক্ষক প্রবীর কুমার পাল (যিনি ২০১১ সালের ১৩ ডিসেম্বর যোগদানের পর থেকে বহাল তবিয়তে রয়েছেন) ও তুষার কান্তি পাল মিলে হাসপাতাল প্রশাসনকে পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। আউটসোর্সিং, চুক্তিভিত্তিক ও বিভিন্ন এনজিও/উন্নয়ন প্রকল্পে অন্তত ২৫ জন নিকটাত্মীয়কে নিয়ম-নীতি তোয়াক্কা না করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
    তালিকাভুক্ত স্বজনেরা হলেন— কৃষ্ণা রানী দে, রবিন পাল, রনা মল্লিক, সমীর মল্লিক, শুভশ্রী পাল, লাকী দাশ, সুজন পাল, শ্যামল দে, মুন্না পাল, লক্ষ্মী ধর, চিনু রানী দে, অভি পাল, কল্লোল, রঞ্জন পাল, শুকলা পাল, হ্যাপি পাল, হৃদয় বাড়ৈ, কিরন কান্তি দে, শিমুল কান্তি দে (যাকে বেআইনি ভাবে আউট সোর্সিং থেকে এনে ২১৯ নম্বর কক্ষে ওয়ার্ড মাস্টারের কাজ দেওয়া হয়েছে), নমিতা পাল, সুমি পাল, শ্যামল, মিন্টু দে, সুস্মিতা পাল এবং মুনমুন পাল।

    সরকারি চাকরি বিধিমালা ও পরিপত্রের যেসব ধারা-উপধারা চরম ভাবে লঙ্ঘন করা হয়েছে:
    ১. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুস্পষ্ট পরিপত্র লঙ্ঘন:- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়ের নির্দেশক্রমে জারি করা পরিপত্র (স্মারক নং-স্বাস্থ্য অধি/প্রশা-৪/বিবিধ-পরিপত্র/২০২১/৫৪৮/১-৮, তারিখ: ২৮/১১/২০২১) অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ের কোন অফিসে কর্মরত কর্মচারীকে বিধি বহির্ভূত ভাবে পদবী পরিবর্তন পূর্বক নিজ বেতনে, সাময়িক ভাবে বা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পদায়ন বা পদ ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়। পরিপত্রে স্পষ্ট বলা আছে—“মাঠ পর্যায়ে পদায়নের জন্য আবেদন করলে উক্ত আবেদন মঞ্জুর করা বা আদেশ জারির কোনো অবকাশ নেই”। তুষার কান্তি পালের ক্ষেত্রে অনৈতিক সুবিধা আদায় পূর্বক এই পরিপত্র সরাসরি লঙ্ঘন করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের অফিস।
    ২. ১৪তম গ্রেড থেকে সরাসরি ১০ম গ্রেডের পদে বসানো (জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি বিধিমালা লঙ্ঘন):- সরকারি চাকরির পদোন্নতি ও পদায়ন বিধিমালা এবং ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর নীতিমালা অনুযায়ী, ১৪তম গ্রেডের কোনো কর্মচারী সরাসরি কোনো বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটি (DPC) এবং গেজেটেড জ্যেষ্ঠতা তালিকা ব্যতীত ১০ম গ্রেডের কর্মকর্তা (২য় শ্রেণী) পদে পদায়ন বা চলতি দায়িত্ব পেতে পারেন না। জ্যেষ্ঠতার ক্রম ডিঙিয়ে কোনো কর্মচারীকে কর্মকর্তা পদে বসানো প্রশাসনিক নীতিমালার চরম ব্যত্যয়, যা তুষার কান্তি পালের ক্ষেত্রে বারবার করা হয়েছে ।
    ৩. সরকারি চাকরি বিধি ও আদেশ অমান্য করণ (অসাধাচরণ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ):- স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বদলি আদেশ (স্মারক নং-স্বাস্থ্য অধি/প্রশা-৩/৩য় শ্রেণী/বিবিধ/৩১৮/২৫/১৯৭৬/১(১৩), তারিখ: ০৪/০৫/২০২৫) অনুযায়ী রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে আগত মুহাম্মদ ইসহাক নোমানকে প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক পদে দায়িত্ব পালনের জন্য পাঠানো হলেও তাকে সুদীর্ঘ তিন মাস দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। প্রবীর কুমার পাল ও তুষার কান্তি পাল সিন্ডিকেট গঠন করে দায়িত্ব নিজেদের কাছে রেখে দিয়েছেন। ইসহাক নোমান শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে বিগত ০৭/০৮/২০২৫ তারিখে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক বরাবর লিখিত আবেদন করেও ৩ মাস ধরে পদ ও অধিকার বঞ্চিত হচ্ছেন, যা ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’-এর ৩(খ) ধারা অনুযায়ী চরম অসাধাচরণের শামিল।উল্লেখ্য উক্ত আবেদন পত্র প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে ।
    ৩য় শ্রেণীর কর্মচারীদের অন্যান্য অপকর্মের চিত্র:
    অনুসন্ধান ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরিত লিখিত অভিযোগের নথিপত্রে এই সিন্ডিকেটের আরো ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে:
    * স্টাফ নার্সের কম্পিউটার অপারেটর সাজা:- রাহুল কান্তি দে নামে একজন স্টাফ নার্স ২০২৩ সাল থেকে রোগী সেবা না দিয়ে কোনো অফিস আদেশ ছাড়াই প্রশাসনিক ভবনের ২৫৭ নম্বর কক্ষে বসে নিয়মিত ‘অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর’- পদের কাজ করে যাচ্ছেন, সে বিষয়ে তত্তাবধায়ক এর কাছে জানতে চাইলে কোন সদুত্তর দিতে পারেন নাই, ফলে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।
    * অবৈধ ক্যাশিয়ার ও পোস্ট দখল:- এস্তাফিজুর রহমান নামক এক অফিস সহকারী ভুয়া পদোন্নতির অজুহাতে ক্যাশিয়ারের পদ দখল করে আছেন। এস্তাফিজুর রহমান, অফিস সহকারী-কাম-কম্পউটার পদের বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ ২২-০১-২০০৬ ইংরেজি তে সেই থেকে অদ্যাবদি ক্ষমতার পালাবদলের সাথে সাথে নিজের রূপ পরিবর্তন করে বহাল তরিয়েতে রয়েছেন সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে, সে এখন আবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর খুব কাছের বা পারিবারিক লোক পরিচয় দেওয়া শুরু করেছে । এই সুদীর্ঘ ২০ বছর বহাল তরিয়তে আছেন কোন এক অদৃশ্য হাতের ইশারায় ।যা সরকারি চারি বিধির চরম লঙ্গন ।
    * ভুয়া নিয়োগ ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার: স্টুয়ার্ড নোমান রান্নাঘর ও খাবারের গুণগত মান তদারকির কাজ ছেড়ে দিয়ে ২২০ নম্বর রুম দখল করে বসে আছেন এবং নিজের আপন ভাই আরমানকে আউটার টিকিট কাউন্টারে নিয়োগ দিয়েছেন। অনিয়ম ফাঁস রোধে তারা শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের নাম ভাঙিয়ে সাংবাদিকদেরও চাপ সৃষ্টি করে থাকেন।তার বিরোদ্ধে আরও চরম অভিযোগ হচ্ছে জেলা সদর হাসপালের সকল মেডিকেল সার্টিফিকেট তার হাতেই জিম্মি তার অনুমতি ছাড়া কোন ডাক্তারের ও এই মেডিকেল সার্টিফিকেট কোন ধরনের সুযোগ নেই, যা গোপন অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ।
    * আবুল কালাম মুস্তাসিন, স্টোর কিপার পদের বর্তমান কর্মস্থলে যোগদানের তারিখ ১-১-২০০১ ইংরেজি তে সেই থেকে অদ্যাবদি ক্ষমতার পালাবদলের সাথে সাথে নিজের রূপ পরিবর্তন করে বহাল তরিয়েতে রয়েছেন সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে । এই সুদীর্ঘ ২৫ বছর বহাল তরিয়তে আছেন কোন এক অদৃশ্য হাতের ইশারায় ।যা সরকারি চারি বিধির চরম লঙ্গন । এত বছর ধরেও কর্মরত থাকলেও কোন তাকে বদলির স্বাধ নিতে হয় । তার এই অদৃশ্য ক্ষমতার উৎস এখনও কক্সবাজার জেলাবাসী অজানা ।

    প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপের আকুল দাবি,
    কক্সবাজারের ২৯ লাখ স্থানীয় নাগরিক ও ১৫ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবার একমাত্র ভরসাস্থল এই হাসপাতালটি এখন গুটিকয়েক দুর্নীতিবাজ কর্মচারী ও তাদের পারিবারিক স্বজনদের পকেটে বন্দি। হাসপাতালের স্বাভাবিক প্রশাসনিক পরিবেশ ও চিকিৎসা সেবা ফিরিয়ে আনতে এই বেআইনি পদায়ন ও স্বজনপ্রীতির নিয়োগ বাতিলসহ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, সিআইডি এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন সমাজ ।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST