ঢাকাSunday , 2 November 2025
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • হোসেনপুরে অবৈধ চায়না দোয়ারি জালে অবাধে মাছ শিকার: বিলুপ্তির পথে দেশীয় প্রজাতির মাছ

    admin
    November 2, 2025 6:47 pm
    Link Copied!

    মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম ফকির, হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

    কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার বিভিন্ন খাল-বিল ও জলাশয়ে অবাধে চায়না দোয়ারি ও কারেন্ট জাল ব্যবহার করে মাছ ধরার কারণে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ। একসময় মাছে-ভাতে বাঙালি” বলা হলেও এখন আর সেই কথার সাথে বাস্তবতার তেমন মিল নেই।

    চায়না দোয়ারি জাল দিয়ে মাছ ধরার সময় খাওয়ার অযোগ্য ছোট-বড় সব মাছই এতে আটকা পড়ে যায়। এসব জাল ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার আইনত নিষিদ্ধ হলেও প্রশাসনের তেমন উদ্যোগ না থাকায় উপজেলার প্রায় সর্বত্রই এ জাল দিয়ে মাছ ধরার প্রবণতা বেড়েই চলেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ডাংরী, পানান বিল, পুমদী ইউনিয়নের বিলচাতল, সিদলা ইউনিয়নের মেছেড়া, কোনা মেছেড়া, আড়াইবাড়িয়া ধুলজুরি ও নারায়ণ ডহরসহ বিভিন্ন এলাকায় খাল-বিল ও ডোবায় অবাধে এসব জাল ব্যবহার হচ্ছে। ফলে দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির মুখে পড়েছে। এক সময় বর্ষা মৌসুমে নতুন পানির সঙ্গে খাল-বিলে দেশীয় মাছ অবাধে বিচরণ করত। তখন স্থানীয় জেলেরা চাঁই, ফলো, ঠেলা জাল ও বর্শি ব্যবহার করে মাছ ধরত, যা মাছের বংশবৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করত না। এখন সেই জায়গা নিয়েছে নিষিদ্ধ চায়না দোয়ারি ও কারেন্ট জাল, যা মাছের ডিম ও বাচ্চা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিচ্ছে।
    গত কয়েকদিনে সরেজমিনে দেখা গেছে, কিছু অসাধু জেলে নিজেদের খাওয়া ও বিক্রির জন্য অবাধে এই জাল ব্যবহার করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলে জানান, “এই জালে শুধু মাছই নয়, ব্যাঙ, সাপসহ সব জলজ প্রাণী ধরা পড়ে যায়। নতুন পানি এলেই আমরা এ জাল ব্যবহার করি।মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে, কয়েক দশক আগেও হোসেনপুরসহ আশপাশের এলাকায় প্রায় আড়াই শতাধিক প্রজাতির মিঠা পানির মাছ পাওয়া যেত। কিন্তু নির্বিচারে চায়না ও কারেন্ট জাল ব্যবহারে এখন অনেক প্রজাতিই বিলুপ্তপ্রায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মমতাজ জিন্নাত সাগর বলেন, “মানুষের অজ্ঞতা ও প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার কারণে দেশীয় মাছ হারিয়ে যাচ্ছে। তবে হারিয়ে যাওয়া প্রজাতি পুনরুদ্ধারে গবেষণা চলছে।
    হোসেনপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাবিকুন নাহার বলেন, “আমি এখানে নতুন যোগ দিয়েছি। যদি কেউ সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে সহায়তা করেন, তাহলে আমরা অভিযান পরিচালনা করব।
    অভিযান পরিচালনার সীমাবদ্ধতা প্রসঙ্গে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, ১৩টি উপজেলার জন্য পুরো জেলার বাজেট মাত্র ৩৫ হাজার টাকা। অথচ একটি হাওর এলাকায় অভিযান চালাতে ১০–১২ হাজার টাকা খরচ হয়। জনবলও খুবই সীমিত। তাই নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। তিনি আরও বলেন, “তবুও সুনির্দিষ্ট তথ্য পেলে আমরা অভিযান পরিচালনা করে এসব জাল ধ্বংস করি। সম্প্রতি ভৈরবে বহু চায়না ও কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।”

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST