কাজী রেজওয়ান হোসেন সান, জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
জয়পুরহাট ১ আসন থেকে মাসুদ রানা প্রধান বিএনপির এমপি প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পেয়েছেন । জয়পুরহাট সদর ও পাঁচবিবি উপজেলা অন্তর্ভুক্ত জয়পুরহাট‑১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বাভাস গত কয়েক মাস থেকে রাজনৈতিক উত্তেজনায় পরিণত হয়। রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনয়নপ্রত্যাশীরা ছিলেন উৎকন্ঠায়, চালিয়েছেন গণসংযোগ । জামায়েতে ইসলামী বাংলাদেশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দলীয় প্রার্থী ঘোষনা হলেও উৎকন্ঠায় ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।
আগ্রহসহ অপেক্ষায় ছিলেন জয়পুরহাটের সাধারণ মানুষও। কে পাবে দলীয় মনোনয়ন, এমন আলোচনা ছিল জেলার সর্বত্র। জয়পুরহাট জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ মাসুদ রানা প্রধান ছিলেন মনোনয়ন প্রত্যাশী অন্যতমদের একজন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জয়পুরহাট আসনে ইতিমধ্যে একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী নিয়ে আলোচনা চালিয়ে গেছে। অবশেষে শেষ হাসি হাসলেন জয়পুরহাট জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মাসুদ রানা প্রধান।
জয়পুরহাট-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় মাসুদ রানা প্রধান অন্যতমদের একজন। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে তিনি সাংগঠনিক ক্ষমতা ধরে রেখেছেন। দলীয় প্রচারনায় তাকে অগ্রভাগে দেখা যায়। পথসভায় ও লিফলেট বিতরণে তার অংশগ্রহণ ছিল স্পষ্ট।
তিনি নির্বাচনী বক্তৃতায় বলেন, “তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা মাঠে নেমেছি”। প্রতিষ্ঠানগতভাবে তিনি জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় রয়েছেন।
জয়পুরহাট জেলা দুটি সংসদীয় আসন নিয়ে। জয়পুরহাট-১ ও জয়পুরহাট-২। এর মধ্যে জয়পুরহাট-১ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সংখ্যা বেশ ছিল। ১৯৯১–২০০৮ সাল পর্যন্ত এই আসনে বিএনপির জয় ছিল বেশি। বর্তমানে এই আসনে জামাতে ভোট বেড়েছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত। মাসুদ রানা প্রধানের মনোনয়ন পাবার পর তার নির্বাচনী প্রস্তুতি অনেক গুরুত্বূপূর্ণ মনে করেন অভিজ্ঞমহল।



