অষ্টগ্রাম (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম থানায় কর্মরত (বর্তমানে ইটনা থানাধীন বাদলা তদন্ত কেন্দ্রে সংযুক্ত) কনস্টেবল দানিয়াল মাহমুদ ও তার স্ত্রী মুক্তা আক্তারের বিরুদ্ধে স্থানীয় মাদক চক্র পরিচালনা, থানার তথ্য ফাঁস এবং ভুয়া পরিচয়ে বিভ্রান্তিকর বার্তা ছড়ানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
তাছাড়া মোবাইল ও ই-মেইল ব্যবহার করে অষ্টগ্রাম থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্যসহ দৈনিক ইনকিলাবের উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ নাদিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ পাঠিয়ে তার পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্নের চেষ্টা।নিজেকে এআইজি পরিচয় দিয়ে অষ্টগ্রাম থানার ওসির সরকারি নম্বরে বিভ্রান্তিকর বার্তা পাঠানো হতো, যা প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানে কনস্টেবল দানিয়াল ও তার স্ত্রীর মোবাইল ডিভাইসের সাথে সম্পর্কিত বলে উঠে এসেছে। ইটনায় বদলি হয়েও ১০ দিনের ছুটিতে এসে তিনি অষ্টগ্রামে অবস্থান নিয়ে স্থানীয় চক্রের মাধ্যমে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করতেন বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি। অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুকুনুজ্জামান দানিয়াল মাহমুদ ও তার স্ত্রীর মাদক কারবারে সম্পৃক্ততার তথ্য স্বীকার করে জানান, বিষয়টি জানতে পেরে অনুসন্ধান শেষে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে বদলি করা হয়েছে।
সহকারী পুলিশ সুপার (অষ্টগ্রাম সার্কেল)জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


