নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর শহরের বকচার এলাকার সাংবাদিক মোঃ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলার অভিযোগ উঠেছে।
মোঃ রফিকুল ইসলামের স্ত্রী শাহানারা খাতুন সঠিক ঠিকানা না দিয়ে ভুয়া ঠিকানা উল্লেখ করে গত মাসের ১৬ নভেম্বরে মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলা করেছেন এবং চার জনকে সাক্ষী দিয়েছেন তার মধ্যে ৪ নাম্বার সাক্ষী রুমা খাতুন, পিতা আফসার আলী, গ্রাম তপশীডাঙ্গা, থানা মনিরামপুর, জেলা যশোর, এই রুমা খাতুনের ঠিকানা ও ভুয়া দিয়েছেন, রুমা খাতুনের ঠিকানা হচ্ছে গ্রাম তপশীডাঙ্গা,থানা কোতয়ালী জেলা যশোর,এই ঠিকানা সঠিক তবে মামলায় উল্লেখ করেন ভুয়া ঠিকানা।

অনুসন্ধান টিমের সাংবাদিকরা প্রথমে মনিরামপুর থানা এলাকায় রুমা খাতুনকে খুজে না পেয়ে। মনিরামপুর থেকে চলে আসে, পরে খোঁজ নিয়ে রুমা খাতুনের সঠিক ঠিকানা পাওয়া যায়।
মামলার ৪ নাম্বার সাক্ষী রুমা খাতুনের বাড়িতে গত সোমবার ৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে রুমা খাতুনের বাড়িতে তথ্য সংগ্রহের জন্য যাওয়া হয়, তার বাড়িতে যেয়ে দেখা যায় রুমা খাতুন বাড়িতে নেই তিনি নওয়াপাড়া জুট মিলে চাকুরী করেন তিনি সে খানে রয়েছেন এই মামলার বিষয়ে ফোনে রুমা খাতুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি এই মামলার সাক্ষী আছি তা আমার জানা নেই।
শাহানারা খাতুন মামলায় উল্লেখ করেছেন, তিনি গত ১৫/১০/২০২৫ অক্টোবর বিকাল ৩টার সময় কন্যাকে আনিতে যায়,বলে অভিযোগ এনেছেন বিষয়টি সম্পন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। এই বিষয়ে সঠিক তথ্য জানতে অনুসন্ধান টিমের সাংবাদিকরা যখন রফিকুল ইসলামের বাসায় যায় এবং তাদের সবার কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তারা বলেন শাহানারা কেউ আমাদের বাসায় আসে নাই সম্পন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট, রফিকুল ইসলাম বলেন আমি মেয়ে আনার পরে কেউ মেয়ে নিতে আসেনি অথচ মামলায় উল্লেখ করেন যে আমরা মেয়ে আনতে গিয়েছিলাম আমাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে এই বিষয়ে অনুসন্ধানকে জানায় তারা কেউ মেয়ে নিতে আসেনি মামলায় যে বিষয় গুলো উল্লেখ করেছেন তা সম্পন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট।
রফিকুল ইসলাম আরো বলেন আমাকে মেয়ে দিয়ে দিয়েছেন গত ০৭/১০/২০২৫ অক্টোবর রাত ৯ টার সময়, মেয়ের মামা নিজে রাস্তায় এসে মেয়ে আমাকে দিয়ে যায়। যখন মেয়ে দিয়ে যায় তখন ওই এলাকার শাহীন নামে এক ছোট ভাই আমার সাথে ছিলেন। তিনি বলেন মেয়েকে আমার কাছে দিয়ে দিবেন বলে আমার সালক হাসানুজ্জামান আমাকে ফোন দিয়ে বলে ভাই আপনার মেয়ে আপনি এসে নিয়ে যান,সে আমাকে ফোনে যখন বলে যে আপনার মেয়ে আপনি নিয়ে যান তখন আমি রাত ৯ টার দিকে যেয়ে মেয়ে নিয়ে চলে আসি যখন মেয়ে আমি নিয়ে আসি তখন মেয়ের অবস্থা খুবই খারাপ ছিল বাসায় এসে তাৎক্ষণিকভাবে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। ডাক্তার দেখে কিছু ঔষধ খাওয়ার জন্য দিয়ে দেয়, বর্তমান মেয়ে একটু ভালো আমার মেয়েকে ঠিক মতো খাবার দিতো না আমার মেয়েকে প্রায় আশঙ্কা জনক ব্যবস্থা করে ফেলে।
এবং আমাকে মেয়ে আনার জন্য যে ফোন দেয় তার কল রেকর্ড ও আমার কাছে রয়েছে।আমি দীর্ঘদিন যাবত সাংবাদিকতার পেশায় রয়েছি, আমার মেয়েকে স্বেচ্ছায় দিয়ে দিয়েছে আবার আমার নামে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দিয়ে আমাকে হয়রানি করছে, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমি আসা রাখছি আমার মেয়ে আমার নিকট থাকবে আপনাদের কাছে এই আবেদন রাখছি।



