মোঃ শাহীন আলম (টাঙ্গাইল প্রতিনিধি)
১শ, ৫শ, ১হাজার টাকার বেশি দেয়া হয়তো আপনার পক্ষে সম্ভব না। আবার ভাবছেন এই অল্প টাকা দিয়ে হুমাইরার চিকিৎসার কিছুই হবে না। কেউ কেউ হয়তো এত অল্প টাকা দিতে লজ্জা পাচ্ছেন, তাই দিচ্ছেন না বা দেবেন না। কিন্তু একবার ভেবে দেখুন আমাদের টাংগাইলের ঘাটাইল উপজেলাতেই ৫ লাখ মানুষ বসবাস করেন। তারমধ্যে হয়তো ২ লাখ মানুষ কিছু না কিছু ইনকাম করেন। এই ২ লাখ মানুষের মধ্য থেকে যদি ১শ করে এক হাজার মানুষ সহযোগিতা করে তাহলে হয়ে যায় এক লাখ টাকা। ৫শ করে যদি সহযোগিতা করে তবে হয়ে যায় ৫ লাখ টাকা। আর যদি ১ হাজার করে সহযোগিতা করে তবে হয়ে যাবে ১০ লাখ টাকা। এরমধ্যে যদি উপজেলার ভিতর অথবা বাহির থেকে মানবিক ও সমাজসেবক মানুষরা এগিয়ে আসেন তবে হুমাইরার মত অনেক শিশুর চিকিৎসা খরচ খুব সহজেই হয়ে যাবে।
টাকাটা যেহেতু বিকাশ/ রকেটে পাঠাবেন সেহেতু ৫০/১০০ টাকা পাঠালেও কেউ আপনার পরিচয় জানতে পারবে না।
পারবে না কিন্তু আল্লাহপাকের ফেরেশতারা প্রতিটি দানশীলের নাম লিখে রাখবেন যা হাশরের ময়দানে প্রকাশিত হবে। প্রতিটি টাকার বিনিময়ে আল্লাহপাক আপনাকে সওয়াব দেবেন। যে সওয়াবের বিনিময়েই হয়তো আমি আপনি বেহেশতে যাওয়ার সুযোগ পাবো।
হাশরের ময়দানে দানের প্রতিদান দেখে আমরা সেদিন আফসোস করে বলবো, আহ! আমি যদি আরও বেশি বেশি দান করতাম তবে আজ কতই না প্রতিদান পেতাম। আমি কেনো বেশি বেশি দান করলাম না। আমি কেনো আমার সকল টাকা আল্লাহর রাস্তায় দান করে আসলাম না। আমি কেনো অসহায় মানুষের পাশে বেশি বেশি দীড়ালাম না।
তাই আসুন, আমরা সবাই যার যার সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করে হুমাইরার চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়াই।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় দেউলাবাড়ি ইউনিয়নে মাম়ুদপুর


