কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
হোসেনপুর উপজেলা-এর গোবিন্দপুর এলাকায় নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম ফকিরের বিরুদ্ধে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ এনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন জেলার বিশিষ্ট রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ। এক যৌথ বিবৃতিতে বক্তারা বলেন, হোসেনপুর ও গোবিন্দপুর এলাকায় চিকিৎসা সহায়তা, নাগরিক সমস্যা সমাধান, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন এবং ঢাকা সহ বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে অসহায় রোগীদের চিকিৎসা কাজে সহযোগিতা করে খায়রুল ইসলাম ফকির ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন। তার দীর্ঘদিনের সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি তৈরি হয়েছে। তারা আরও বলেন, এই সুনাম ও জনসমর্থন দেখে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, যা সরাসরি মানহানির শামিল। ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল বা রাজনৈতিক কারণে এ ধরনের অপপ্রচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। বিবৃতিদাতারা ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।বিবৃতিদাতারা হলেন: জননেতা আলাল মিয়া, জেলা সমন্বয়ক, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) একেএম মোহাম্মদ আলী, সভাপতি, হোসেনপুর উপজেলা প্রেসক্লাব, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, জেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), কিশোরগঞ্জ জেলা, আ. রহমান রুমি, সভাপতি (জেলা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, অ্যাডভোকেট এম. এনামুল হক, সিনিয়র আইনজীবী, কিশোরগঞ্জ জজ কোর্ট, সাংবাদিক শামসুল ইসলাম, সাংবাদিক তপন চন্দ্র সরকার, সাংবাদিক তাশারফ শাহী, অ্যাডভোকেট সুলতানা আক্তার রুবি, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট,অ্যাডভোকেট টুটুল, নারী অঙ্গন, বাংলাদেশ লেখক সংঘ, শ্রমিক ও কৃষক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিতে তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত সত্য উদঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে আইনগত পদক্ষেপসহ বৃহত্তর গণতান্ত্রিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।


