পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের ভাণ্ডারুগ্রাম এলাকায় লিজ নেওয়া ১৫ বিঘা জমিতে গড়ে ওঠা চা বাগানের লভ্যাংশসহ প্রায় ১১ লাখ টাকা প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দুই অংশীদার আব্দুস সামাদ ও আব্দুল কাদেরের বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারী মোহাম্মদ মাহবুবের দাবি, চা বাগান করার উদ্দেশ্যে ১৪ বছর ৬ মাসের জন্য ১৫ বিঘা জমি স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ইজারা নেওয়া হয়। ইজারা চুক্তিতে তিনি ছাড়াও টুনিরহাট এলাকার আব্দুস সামাদ ও আব্দুল কাদের অংশীদার ছিলেন। চুক্তি অনুযায়ী ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে ২০৩২ সালের ৩০ নভেম্বর।
মাহবুবের অভিযোগ, ২০২১ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে আব্দুস সামাদ ও আব্দুল কাদের তাকে জানান, তারা আর তাকে চা বাগানের অংশীদার হিসেবে রাখতে চান না। এ সময় এর কারণ জানতে চাইলে তাকে হেযবুত তাওহীদে যোগ দেওয়ার কথা বলা হয়। অন্যথায় চা বাগান থেকে সরে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অংশীদারদের মধ্যে বিরোধ ও মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। পরে মাহবুব একাধিকবার আব্দুস সামাদ ও আব্দুল কাদেরের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তারা তার কোনো কথায় কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। উল্টো তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
মাহবুবের দাবি, চা বাগান থেকে তার প্রাপ্য লভ্যাংশসহ প্রায় ১১ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। কিন্তু অভিযুক্তরা ওই টাকা পরিশোধ না করে প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎ করেছেন।
এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে মোহাম্মদ মাহবুব পঞ্চগড় সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। তবে অভিযোগ দায়েরের পরও এখন পর্যন্ত কোনো সুরাহা হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে আব্দুস সামাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
মোহাম্মদ মাহবুব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তার
পাওনা টাকা ফেরত এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।


