এস.এম. রিয়াদুল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সকলের সহযোগিতায় আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই—যাতে আপনারা গর্বের সঙ্গে বলতে পারেন, আমি একজন বাংলাদেশি।
তিনি বলেন, আমরা দেশে বেকারত্ব রাখতে চাই না। প্রত্যেক মানুষের কর্মের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করতে চাই। শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক পরিবর্তনের মাধ্যমে মেধাসম্পন্ন, দক্ষ ও মানবিক জাতি গড়ে তুলতে চাই। আমাদের শিক্ষা হবে কর্মমুখী ও নৈতিকতাভিত্তিক—এই আলোকেই আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে কুষ্টিয়া আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ১১ দলীয় নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে পুরো স্টেডিয়াম জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া জেলা ভারপ্রাপ্ত আমীর আব্দুল গফুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মোবারক হোসাইন।
এছাড়া বক্তব্য দেন—
গণতান্ত্রিক পার্টির মুখপাত্র রাশেদ প্রধান,
জামায়াতের কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মুফতি আমীর হামজা,
জামায়াতের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য ও কুষ্টিয়া জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক সুজাউদ্দিন জোয়ার্দার,
জামায়াতের কুষ্টিয়া-১ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ বেলাল হোসাইন,
কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনের প্রার্থী আফজাল হুসাইন,
ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ,
খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর অধ্যাপক সিরাজুল হক,
ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা আমিরুল ইসলাম,
জামায়াতের কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য অধ্যাপক ফরহাদ হুসাইন,
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কুষ্টিয়া জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল লতিফ খান,
জাতীয় নাগরিক পার্টির ইমাম নোমানী রাজু,
এবি পার্টির কুষ্টিয়া জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক বেলাল মাহমুদ,
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শিবির সভাপতি ইউসুফ আলী,
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক কুষ্টিয়া সদস্য সচিব মুস্তাফিজুর রহমান,
শিবিরের কুষ্টিয়া জেলা সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এবং
কুষ্টিয়া শহর শিবির সভাপতি আবু ইউসুফ।
জনসভা পরিচালনা করেন জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া শহর আমীর এনামুল হক।
সভা শেষে নেতাকর্মীরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে বিভিন্ন স্লোগান দেন। জনসভাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।



