ঢাকাThursday , 23 July 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • একই বিক্রেতার কাছ থেকে তিন ধাপে ২.৬৩ একর জমি ক্রয়ের দাবি ডেবিট কর্মকারের; জমি দখলের অভিযোগে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

    admin
    July 23, 2026 1:41 pm
    Link Copied!

    **জেলা প্রতিনিধি বান্দরবান

    বান্দরবানের লামা উপজেলার ৩ নম্বর ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের গুলিস্তান বাজার সংলগ্ন এলাকায় বৈধভাবে ক্রয়কৃত ২.৬৩ একর জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে চলমান বিরোধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন প্রবাসী ডেবিট কর্মকার। তাঁর দাবি, একই বিক্রেতা নুরুল আলম (পিতা: মৃত আলী আকবর)-এর কাছ থেকে তিন ধাপে সম্পূর্ণ বৈধ প্রক্রিয়ায় জমি ক্রয় করলেও একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে জমি দখলের চেষ্টা, অপপ্রচার এবং হয়রানি চালিয়ে যাচ্ছে।
    ডেবিট কর্মকারের উপস্থাপিত দলিল, বন্দোবস্তের কাগজপত্র ও সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, ১৯৭৯-৮০ সনের ৩৬২৯ নম্বর বন্দোবস্তী মোকদ্দমার মাধ্যমে নুরুল আলমের নামে R/১১২৯ হোল্ডিংভুক্ত মোট ৫.০০ একর জমি বন্দোবস্ত হয়। জমিটি দুটি পৃথক চৌহদ্দিতে বিভক্ত ছিল—প্রথম চৌহদ্দিতে ৩ একর এবং দ্বিতীয় চৌহদ্দিতে ২ একর। ডেবিট কর্মকারের দাবি, তিনি প্রথম চৌহদ্দির জমি থেকেই পর্যায়ক্রমে তিন ধাপে মোট ২.৬৩ একর জমি ক্রয় করেছেন।
    নথি অনুযায়ী, ৬ নভেম্বর ২০০৩ তারিখে তিনি ০.৮৫ একর, ২৭ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে ০.৫৮ একর এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০০৯ তারিখে ১.২০ একর জমি একই বিক্রেতা নুরুল আলমের কাছ থেকে বায়নানামার মাধ্যমে ক্রয় করেন। পরবর্তীতে জমির নামজারি (মিউটেশন) সম্পন্ন হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তাঁর পরিবার শান্তিপূর্ণভাবে সম্পত্তিটি ভোগদখল করে আসছেন বলে দাবি করেন।
    ডেবিট কর্মকার অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন পর একটি পক্ষ একই সম্পত্তির ওপর মালিকানা দাবি করে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে তাঁকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
    তিনি বলেন, “আমি একই মালিক নুরুল আলমের কাছ থেকে তিন ধাপে জমি কিনেছি। বাইরের কোনো ব্যক্তি কিংবা অন্য কোনো মালিকের কাছ থেকে আমি একটি শতাংশ জমিও ক্রয় করিনি। আমার সব বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। এরপরও আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আমার বৈধ সম্পত্তির সুরক্ষা চাই।”
    এ ঘটনায় নিজের নাম জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “এ জমির বিষয়ে আমার কোনো স্বার্থ নেই। ডেবিট কর্মকার আমার ছোটবেলার বন্ধু। তিনি প্রবাসে থাকেন। দেশে এলে আমাদের দেখা ও কথা হয়। আমি যতদূর জানি, তিনি ১১২৯ নম্বর খতিয়ানের জমি বৈধভাবে ক্রয় করেছেন। বর্তমানে যারা সীমানা বিরোধ সৃষ্টি করছে, তাদের দাবি R/ ৬১৯ নম্বর খতিয়ানকে কেন্দ্র করে। তাই আমার নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।”
    ডেবিট কর্মকারের বড় ভাই মৃদুল কর্মকার বলেন, তাঁর ভাই বৈধ মালিকের কাছ থেকেই জমি ক্রয় করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে তাঁদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রাণনাশের হুমকি এবং মিথ্যা মামলায় জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এ সংক্রান্ত মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলেও তিনি জানান।
    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগের পর উপজেলা ভূমি অফিস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত সম্পন্ন করেছে। বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। একই সঙ্গে সহকারী কমিশনার (ভূমি), লামা তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছেন।
    স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এ বিরোধের দ্রুত ও নিরপেক্ষ নিষ্পত্তি না হলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। তারা আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ার পাশাপাশি প্রশাসনের কার্যকর তদারকি, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত মালিকের আইনগত অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
    উল্লেখ্য, এই প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য, উপস্থাপিত দলিলপত্র ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। যেহেতু বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন, তাই জমির মালিকানা সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের রায়ের ওপর নির্ভরশীল।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST