মোঃ আবদুল মোতালেব
নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ–
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সারা বাংলাদেশের ন্যায় নোয়াখালীর সেনবাগ পৌর বাজারে উপজেলা প্রশাসন গত ১৮ ও ১৯ আগস্ট ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে রাত ৮টার পর ঔষধের দোকান, হোটেল রেস্তোরাঁ, হাসপাতাল ও জরুরী সেবা সংস্থা ব্যতীত অন্যান্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান / দোকান-পাট বন্ধের নির্দেশ জারী করে।
নোয়াখালীর সেনবাগ পৌর বাজারে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী রাত ৮টার পর দোকান ও শপিংমল খোলা রেখে দেদারসে ব্যবসা করে যাচ্ছে। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখায় সতর্ক করার পরও মানছেনা নিষেধাজ্ঞা।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাত পৌনে ৯টার দিকে সেনবাগ পৌর বাজারের জিরো পয়েন্ট থেকে স্থিরচিত্র মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অমান্যের প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়েছে।
গত ১৯ আগস্ট সতর্কতামূলক অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনবাগ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট রেদওয়ান ইসলাম । এ সময় সেনবাগ থানা পুলিশের একটি চৌকস দল এবং নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অভিযানে সহযোগিতা করেন।
অভিযানকালে সেনবাগ বাজারের ব্যবসায়ীদের সরকারি নির্দেশনা মেনে নির্ধারিত সময়ের পর দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ রাখার জন্য সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের স্বার্থে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা, অতিরিক্ত লাইটিং ও বিদ্যুতের অপচয় থেকে বিরত থাকার জন্য ব্যবসায়ীদের বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, জনগণ যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তাদের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা সম্পন্ন করেন। একই সঙ্গে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করা হয়।
১৯ আগস্টের পর সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান খোলা রাখার অপরাধে ব্যবস্থা গ্রহণে উপজেলা প্রশাসনে আর কোন উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়নি।
কিন্তু ১৯ আগস্ট উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নির্ধারিত সময়ের পর দোকানপাট খোলা রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কেন বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও জাতীয় স্বার্থে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে তারা প্রশাসনকে অসহযোগিতা করছেন, তা ভেবে দেখার কেউ নেই।


