আনিসুর রহমান মানিক , পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি।
সারাদেশের সঙ্গে একযোগে পঞ্চগড়ে শুরু হয়েছে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা। নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে।
শনিবার (২ মে) বিকেলে পঞ্চগড় স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ঘোষণা করেন তারেক রহমান। তাঁর ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই দেশের অন্যান্য জেলার মতো পঞ্চগড়েও আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় এই আয়োজন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিকেল থেকেই স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। রঙিন ব্যানার-ফেস্টুন, অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস এবং দর্শকদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন প্রাণচঞ্চল হয়ে ওঠে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা দলগত অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুমন চন্দ্র দাস, পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা সুলতানা,জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্ছু, জেলা জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ মজিদ এবং আদম সুফি। এছাড়াও জেলা প্রশাসন ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান সময়ে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। এ ধরনের আয়োজন তাদের মাঠমুখী করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি তাদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মানসিক বিকাশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
আয়োজকরা জানান, জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে অ্যাথলেটিকসসহ বিভিন্ন দলগত ও ব্যক্তিগত ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।
উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলেও আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই প্রতিযোগিতা থেকে উঠে আসবে ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় ক্রীড়াবিদরা। একই সঙ্গে জেলার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এই উদ্যোগ।
প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে দিনশেষে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্যোগে তেতুলিয়া ও দেবীগঞ্জ উপজেলার মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়, যা দর্শকদের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।


