ঢাকাFriday , 10 July 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • নড়াইলের কালিয়ায় দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক পদে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে স্কুলে না এসে বেতন-ভাতা তুলে নেওয়ার অভিযোগ

    admin
    July 10, 2026 7:22 pm
    Link Copied!

    নিজস্ব প্রতিবেদক

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলার দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৭ বছর অনুপস্থিত থেকে এক কম্পিউটার শিক্ষকের প্রায় অর্ধকোটি টাকা সরকারি বেতন-ভাতা (এমপিও) তোলার অভিযোগ উঠেছে।

    অভিযুক্ত শিক্ষক পীযুষ কান্তি ঘোষ বিদ্যালয়ে না গেলেও নিয়মিত তার ব্যাংক হিসাবে সরকারি টাকা জমা হয়েছে। এতে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বিদ্যালয়টির চার শতাধিক শিক্ষার্থী।

    পীযুষ কান্তি ঘোষের দাবি, তিনি ২০০৯ সালে চাকরি ছেড়ে ঢাকায় চলে যান। বর্তমানে একটি বেসরকারি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক পদে কর্মরত আছেন। তার ব্যাংক হিসাবে কীভাবে টাকা ঢুকছে, তা তিনি জানেন না। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের কারসাজিতে এই টাকা আত্মসাৎ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠলেও প্রধান শিক্ষকরা একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ করছেন।

    বিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৬ সালে পীযুষ কান্তি ঘোষ কম্পিউটার শিক্ষক পদে যোগ দেন। তিন বছর চাকরি করেও এমপিওভুক্ত না হওয়ায় ২০০৯ সালে তিনি চলে যান। এরপর বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকা অবস্থাতেই তিনি এমপিওভুক্ত হন। চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত তার ব্যাংক হিসাবে টাকা লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

    এই দীর্ঘ সময়ে দায়িত্ব পালন করা অবসরপ্রাপ্ত দুই প্রধান শিক্ষক নীরঞ্জন কুমার বসু ও অনন্ত কুমার বিশ্বাসের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলক চন্দ্র বিশ্বাস ও বর্তমান প্রধান শিক্ষক তুষার কান্তি ঘোষ পরস্পরকে দায়ী করছেন।

    গোলক চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ‘আড়াই বছর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদে দায়িত্ব পালনকালে কম্পিউটার শিক্ষক পীযুষের বেতন বন্ধ রাখি। প্রধান শিক্ষক পুনর্বহাল হয়ে আবার তার বেতন চালু করেন।’ ব্যাংক স্টেটমেন্ট অনুযায়ী তার সময়েও বেতন ঢোকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো আবেদন করিনি, কীভাবে টাকা ঢুকেছে আমার জানা নাই।’

    বর্তমান প্রধান শিক্ষক তুষার কান্তি ঘোষ অনুপস্থিত শিক্ষকের বেতন জমার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘বিভিন্ন সময়ে পীযুষকে নোটিশ করে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী বরখাস্ত করলেও টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। চক্রান্ত করে আমাকে বরখাস্ত করার পর ওই আড়াই বছর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলকই পীযুষের বেতন চালু রেখেছিল। আমি আবার যোগদান করে তার দেখানো পথে তিন মাস বেতন চালু রাখি, পরে বন্ধ করে দিই।’ ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্তের বাইরে প্রধান শিক্ষকের একা বেতন চালুর সুযোগ থাকে না বলেও তিনি দাবি করেন।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST