ঢাকাWednesday , 23 September 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • চৌদ্দগ্রামে একই রোগীর ১৫ দিনে ২ বার সিজার।

    admin
    September 23, 2026 3:56 pm
    Link Copied!

    জহিরুল ইসলাম সুমন

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সিজারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের পনের দিন পর এক নারীর পুনরায় অপারেশন এর ঘটনা ঘটেছে। ডেলিভারির পর দিন থেকে ওই নারীর পেটের ডানপাশে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। প্রথমে এটাকে জরায়ু সমস্যা, পরে ইনফেকশন উল্লেখ করে অপারেশন করে ফেলেন নাহিদা সুলতানা নামের এক গাইনি ডাক্তার। তবে ওই নারী ও তার স্বজনদের দাবী, ডাক্তার মিথ্যা বলছেন। চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ ফ্রেন্ডস হসপিটালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এই গাইনি ডাক্তারের বিরুদ্ধে অনুমতি ছাড়া অপারেশনের অভিযোগও করেন ভুক্তভোগী ও তার পরিবার।
    ‎‎জানা গেছে, গত ২৩ আগস্ট উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বৈলপুর গ্রামের ইকবাল হোসেন সবুজ এর সন্তানসম্ভবা স্ত্রী নার্গিস আক্তার আসেন ডা: নাহিদা সুলতানার কাছে। তখন তিনি জানান, সিজারের মাধ্যমে ডেলিভারি করাতে হবে। এজন্য চৌদ্দগ্রাম ফ্রেন্ডস হসপিটালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন। ভর্তি হওয়ার পর ওই দিন সন্ধ্যা সাতটায় সিজারের মাধ্যমে কন্যা সন্তানের জন্ম দেন গৃহবধূ নার্গিস আক্তার। তারপর থেকে নার্গিস আক্তার পেটের ডান পাশে ব্যাথা অনুভব করতে থাকে। তিনদিন পর হাসপাতাল থেকে রিলিজ দিতে গেলে নার্গিস আক্তার ব্যথার কথা জানিয়ে সুস্থ নন বলে জানান। তবু তাদেরকে ছাড়পত্র দিয়ে দেয়া হয়। হাসপাতালের ডিউটি ডাক্তার আশিকুর রহমানকে জানালে তিনি এটাকে গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা বলে উল্লেখ করেন। ব্যাথা নিয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে যাওয়ার পর নার্গিস আক্তার পেটে আরো বেশি ব্যথা অনুভব করেন। নড়াচড়া করতে গেলে তীব্র হয় সেই ব্যাথা এবং পেটের ডানপাশ ফুলে যায়। এরপর পহেলা সেপ্টেম্বর হাসপাতালে ডা: নাহিদার নিকট গেলে তিনি নার্গিস আক্তারকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে সেলাই কাটেন এবং আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে বলেন। নিকটবর্ত্তী মেডিল্যাব ক্লিনিকে ডা: মনিরুল ইসলামের নিকট আল্ট্রাসনোগ্রাম করানোর পর রিপোর্ট দেখে ডা: নাহিদা বলেন, জরায়ু উপরে উঠে গেছে। তারপর আবার পেটের ভেতরে ইনফেকশন হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় তিনদিন এন্টিবায়োটিক খাওয়ার পরও ব্যথা না কমায় মেডিল্যাব ক্লিনিকে আবার আল্ট্রা করতে পাঠান হয়। আল্ট্রা করানোর পর ডাক্তার মনিরুল ডা: নাহিদাকে মোবাইলে রিপোর্ট সম্পর্কে জানান। নার্গিস আক্তার এক্স-রে রিপোর্ট চাইলে ডা: মনিরুল এটা পার্সোনাল এক্স-রে বলে রিপোর্ট দিতে অস্বীকৃতি জানান। নার্গিস আক্তার মেডিল্যাব ক্লিনিক থেকে ফ্রেন্ডস হাসপাতালে ফেরার কিছুক্ষণের মধ্যেই ডা: নাহিদাও আসেন এবং নার্গিস আক্তারকে অপারেশন কক্ষে ডেকে নেন। এরপর নার্গিস আক্তারকে পেট দেখার কথা বলে দ্বিতীয়বার অপারেশন করে ডাঃ নাহিদ।
    ‎ভুক্তভোগী নার্গিস আক্তারের স্বামী ইকবাল হোসেন সবুজ বলেন, এক্স-রে ও আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট পেয়ে ডাক্তার নাহিদা আমাকে প্রাইম হাসপাতালে ডা: শাওনের কাছে পাঠান। সেখানে গেলে ডা: শাওন আমার স্ত্রী’র অপারেশন লাগবে বলে জানান। অপারেশন না করলে আরো বড় সমস্যা হতে পারে বলেন। তারপর ডা: নাহিদা ইনফেকশন হয়েছে বলে আমার স্ত্রী’র অপারেশন করতে হবে বলেন। আমি অন্য ডাক্তারদের সাথে আলাপ করলে তারা এটাকে জরায়ু উঠে গেলে বলে মানতে রাজি নন। এরপর হঠাৎ করে আমার স্ত্রীকে অপারেশন কক্ষে নিয়ে দ্বিতীয়বার অপারেশন করে ডাঃ নাহিদা। ‎
    ‎হাসপাতালে নার্গিস আক্তারের সাথে থাকা তার বড় বোন বলেন, ডা: নাহিদা আমার বোনের এক্স-রে রিপোর্ট দেখে সাথে সাথে এসেই অনুমতি ছাড়া অপারেশন করে ফেলেন। অনুমতি ছাড়া কেন অপারেশন করেছেন, আমরা তার কাছে জানতে চাইলে তিনি উল্টো কি করতে পারবেন করেন বলে হুমকি দেন।‎
    ‎ভুক্তভোগী নার্গিস আক্তার বলেন, আমি এখন জীবন নিয়ে অনিশ্চয়তায় আছি। আমি সুস্থ নই। আমার কিছু হলে আমার বাচ্চাদেরকে কে দেখবে? আমি ভাল চিকিৎসা চাই।‎
    ‎এ বিষয়ে ডাঃ নাহিদা সুলতানা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রোগীর ব্লাড কস ছিল। এন্টিবায়েটিক দিয়ে রিকোভার হচ্ছিল না। রোগীর স্বামীর সাথে কথা বলেই আমরা দ্বিতীয় বার অপারেশন করা হয়েছে।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST