কাজী রেজওয়ান হোসেন সান, জয়পুরহাট প্রতিনিধি //
জয়পুরহাটে নেসকোর ডিস্ট্রিবিউশন তার মাটি হতে ৩ ফুট উচ্চতায় নেমে এসেছে। যে কোন সময় ঘটতে পারে প্রাণহানিসহ মারাত্মক দুর্ঘটনা।
সরজমিনে জয়পুরহাট সরকারি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে গিয়ে এর সত্যতা পাওয়া যায়। সরকারি কলেজের প্রধান ফটক থেকে রেলওয়ে স্টেশনের দিকে একটি স্প্যানের স্যাগ এতটাই নিচে নেমে এসেছে যে যে কেউ এমন কি ৭/৮ বছরের বাচ্চাও তার গুলো ধরতে পারছে। ডিস্ট্রিবিউশন লাইনের স্যাগ বা ঝুলের পরিমাণ নির্ভর করে বিভিন্ন কারণের উপর, যেমন – স্প্যান দৈর্ঘ্য, কন্ডাক্টরের ওজন, তাপমাত্রা, বাতাসের চাপ এবং বরফের লোডিং। একটি নির্দিষ্ট স্যাগ থাকা দরকার যা কন্ডাক্টরকে নিরাপদে ধরে রাখতে এবং ভাঙ্গন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। এই কারণগুলির উপর ভিত্তি করে প্রতিটি লাইনের জন্য স্যাগ গণনা করা হয়, যা একটি নির্দিষ্ট মান হয়ে থাকে। স্যাগ বা ঝুল গরমের সময় কিছুটা বাড়ে এবং শীতকালে কিছুটা কমে যায়। কিন্তু তা এতটা বেশি নয় যে মাটি থেকে মাত্র ৩ ফুট উচ্চতায় হবে।
এ ব্যাপারে জয়পুরহাট নেসকোর উপ সহকারী প্রকৌশলী জনাব মো: আলমগীর হোসেন বলেন, অফিসে এসে লিখিত আবেদন করতে হবে। ডিস্ট্রিবিউশন তার মাটির এতটা কাছাকাছি যে কেউ ইচ্ছে করলেই বা অতি উৎসাহী কোন বাচ্চা চাইলেই ধরতে পারছে, এতে কোন সমস্যা হতে পারে কিনা? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, তার লিকেজ হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিতে আবেদন করতে হবে।
যেখানে প্রাণহানীর আশংকা রয়েছে সেই পরিস্থিতি নিরশনে নেসকোর ভুমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। একজন এলাকাবাসী বলেন এই সমস্যায় যদি কিউ আবেদন না করে তবে কি এই তার উপরে উঠনোর ব্যবস্থা নেসকো করবেনা? তিনি নেসকোর মেইনটেনেন্সের দ্বায়িত্ব কি বলে প্রশ্ন তোলেন।
এ ব্যাপারে নেসকোর আবেদন প্রেক্ষিতে নয় নিজ দ্বায়িত্বে ডিস্ট্রিবিউশন লাইনের তারের স্যাগ ঠিক করা প্রয়োজন বলে এলাকাবাসী মনে করে।


