নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর শহরতলীর শেখহাটি হাইকোর্ট মোড় এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) যশোরের বীজ বিপণন বিভাগের যুগ্ম পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে গেট এবং রাস্তা নিয়ে চরম গাফিলতির এবং সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন না, তিনি বলেন আমাদের এই ধরনের কোন ধরনের নিয়ম দেওয়া নেই। এ কে এম কামরুজ্জামান বলেন আমরা বিশেষ দিন ছাড়া পতাকা উত্তোলন করি না, যেহেতু আমাদের নিয়ম নীতি নেই, তাই আমাদের অফিসে পতাকা উত্তোলন করা হয় না।
সরেজমিনে দেখা গেছে, অফিসের মূল গেটের রাস্তা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে রয়েছে। এই গেট দিয়ে গাড়ি বা মানুষ কিছুই যাতায়াত করে না, অফিস কর্তৃপক্ষ রাস্তাটি ব্যবহার না করার কারনে গেটের পাশে ময়লা ফেলে অবস্থা খুবই খারাপ। ওই এলাকার বিভিন্ন লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা বলেন এই গেট দিয়ে কোনো কিছু চলাচল করে না, এই কারণেই ময়লা ফেলে, তারা বলেন কে কখন ময়লা ফেলে বলা সম্ভব না।
অচল অবস্থায় রয়েছে বিদায় এই অবস্থা হয়েছে বলে মনে করেন সচেতন মহল।কারণ সরকারি রাস্তাটি গেটের সাথে কোনোভাবে সংযোগহীনভাবে তৈরি করা হয়েছে। একটি পকেট গেট ব্যবহার করেই অফিসের যাবতীয় কার্যক্রম চলছে। এই অব্যবস্থাপনার ফলে মূল গেট এখন ময়লার স্তূপে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই আবর্জনা ফেলতে ফেলতে এক ধরণের ময়লার ভাগাড় তৈরি করেছেন।
অফিসের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের জন্য ব্যবস্থা থাকলে ও পতাকা তোলা হয় না। সাংবাদিকরা বেলা ২.৫০ মিনিটে গেলে দেখেন পতাকা স্টান্ডে পতাকা উত্তোলন নেই। এখানে ৪ টি পরিচালকের কার্যালয়। যুগ্ম পরিচালক এ কে এম কামরুজ্জামানকে পতাকার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, প্রধান কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন করা হয়, তাই আমরা এখানে উত্তোলন করি না। শুধুমাত্র বিভিন্ন বিশেষ দিবসে পতাকা তোলা হয়।
ময়লার বিষয় জানতে চাইলে কামরুজ্জামান বলেন, এখানে বাজারের লোকজন ময়লা ফেলে। আমরা নিষেধ করলেও তারা শোনেনা।যশোরের লোক জনের রুচিবোধ নেই। যারা ময়লা ফেলে তাদের যদি ধরতে পারি তাহলে ওদের মাথায় ঢেলে দিব,এবং মুখে দিয়ে দিব। মাঝে মাঝে আমরা পরিষ্কার করি।
সরকারি অফিস প্রাঙ্গণের এমন দূরবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তারা বলছেন, গেট এবং রাস্তা তৈরির ক্ষেত্রে অবশ্যই পরিকল্পনা থাকা উচিত ছিল। এমন অব্যবস্থাপনা সরকারি দপ্তরের ভাবমূর্তি নষ্ট করে। তারা দ্রুত সমস্যা সমাধানের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


