ঢাকাSunday , 30 August 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • কক্সবাজারে সমুদ্র সৈকতে সড়ক নির্মাণ: পরিবেশ বিধ্বংসী যৌথ উদ্যোগ পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবি’র

    admin
    August 30, 2026 8:44 pm
    Link Copied!

    জেলা প্রতিনিধি, কক্সবাজার

    কক্সবাজারের পরিবেশগত আশঙ্কা জনক ও সংকটপূর্ণ (ইসিএ) সুগন্ধা-কলাতলী সৈকতের প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি ভরাট করে সড়ক ও শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি এই প্রকল্পকে উন্নয়ন প্রকল্পের নামে উপকূলীয় পরিবেশ ধ্বংসের যৌথ উদ্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করে দ্রুত তা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে।

    আজ রোববার ৩০ আগস্ট এক বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি এ আহ্বান জানায়। এতে বলা হয়, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)-এর অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পে জাইকার নিজস্ব গাইডলাইনস এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড সোশ্যাল কনসিডারেশনস এবং জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে জাপানের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার সঠিকভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন।

    টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, উন্নয়ন অবকাঠামো নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। কিন্তু এই প্রকল্পের কারণে প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি, উপকূলীয় উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্যের সম্ভাব্য ক্ষতি, প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদে উপকূলীয় জলবায়ু-সহনশীলতা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। এসব পরিবেশগত সম্পদ শুধু বিনোদন বা পর্যটনের জন্য নয়; এগুলো ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও তীব্র ঢেউয়ের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যূহ হিসেবে কাজ করে।

    তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট করে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন কোনোভাবেই টেকসই উন্নয়নের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে না। পরিবেশগত ভাবে সংবেদনশীল অঞ্চলে অবকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ু ও পরিবেশগত ঝুঁকি সঠিক ভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানান তিনি।

    ড. ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল ক্রমবর্ধমানে ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এমন অবস্থায় টেকসই উন্নয়নের নামে উপকূলীয় পরিবেশ ব্যবস্থাকে দুর্বল করার মতো কোনো উদ্যোগ শুভকর হতে পারে না। তিনি জাইকার পরিবেশগত ও সামাজিক সুরক্ষা নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর জোর দেন।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিষয়টি কেবল একটি স্থানীয় অবকাঠামো প্রকল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এর সঙ্গে বাংলাদেশ ও জাপান উভয়েরই আন্তর্জাতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ক অঙ্গীকারের প্রশ্ন জড়িত। উভয় দেশই কনভেনশন অন বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি (সিবিডি) এবং কুমিং-মন্ট্রিল গ্লোবাল বায়োডাইভারসিটি ফ্রেমওয়ার্ক – এর স্বাক্ষরকারী। তা ছাড়া, ২০৩০ সালের মধ্যে নেচার পজিটিভ অর্থনীতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পারিস চুক্তির লক্ষ্যপূরণে জাপানের দেওয়া প্রতিশ্রুতি এবং জাইকার সাসটেইনেবল পলিসি’র বাস্তবায়নে এই প্রকল্প সাংঘর্ষিক হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

    এমতাবস্থায় টিআইবি জাইকা ও জাপান সরকারের প্রতি তাদের নিজস্ব পরিবেশগত সুরক্ষা নীতির সামঞ্জস্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে, সুগন্ধা-কলাতলী সৈকতে ইতিমধ্যেই কোনো ক্ষতি হয়ে থাকলে সৈকতের বালিয়াড়ি ও উপকূলীয় উদ্ভিদ পুনরুদ্ধারে একটি বিশ্বাসযোগ্য পরিবেশ পুনর্বাসন পরিকল্পনা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়েছে।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST