ঢাকাThursday , 24 September 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • কুড়িগ্রামে তিস্তা নদীর ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ পরিবারের পুনর্বাসন চায় এলাকাবাসী

    admin
    September 24, 2026 9:16 pm
    Link Copied!

    রতন রায়, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
    ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

    কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ভিটেমাটি ও বসতঘর হারিয়ে নিঃস্ব হওয়া পাঁচটি পরিবার নতুন জমি পেলেও নিচু জমি ভরাট করতে না পারায় অনিশ্চিত জীবনের দিকে তাকিয়ে আছে। মানবিক বিবেচনায় তিস্তা নদী থেকে বালু উত্তোলনের অনুমতি এবং দ্রুত পুনর্বাসনের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের তৈয়বখাঁ মৌজায় তিস্তা নদীর তীরে মানববন্ধন করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

    বক্তারা জানান, গত বর্ষায় তিস্তার ভাঙনে পাঁচটি পরিবার সম্পূর্ণভাবে ভিটেমাটি ও বসতঘর হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় ব্যক্তিদের সহযোগিতায় তৈয়বখাঁ বাজারসংলগ্ন এলাকায় তাদের বসবাসের জন্য কিছু জমির ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু জমি নিচু হওয়ায় সেখানে ঘর নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। জমি ভরাটের জন্য আশপাশে পর্যাপ্ত মাটি না থাকায় পাশের তিস্তা নদী থেকে বালু এনে ভরাটের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
    মানববন্ধনে স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রথমে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের জন্য বালু উত্তোলনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এতে প্রায় সাত হাজার বালু উত্তোলন করা হয়। তবে অপর রাজনৈতিক দলের উস্কানিমূলক বক্তব্য ও মিথ্যা প্রচারের কারণে সেই কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

    এরই মধ্যে কুড়িগ্রাম-২ আসনের এমপি ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো তাদের দুর্দশার কথা জানায়। তিনি পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়ে কর্মীদের বসবাসের ব্যবস্থা করার জন্য বালু উত্তোলনের নির্দেশ দেন বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। তবে উপজেলা প্রশাসনকে না জানিয়ে বালু উত্তোলন শুরু হলে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে তা বন্ধ করে দেয়।

    স্থানীয়রা জানান, গত সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর দুপুর ৩টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামিউর রহমান তৈয়বখাঁ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ড্রেজার ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করে ধ্বংস করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, পরে ড্রেজারের মালিক ধ্বংস হওয়া সরঞ্জামের ক্ষতিপূরণ বাবদ ওই পাঁচ পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকা দাবি করেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ভাষ্য, “আমরা কীভাবে তিন লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেব?”

    ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য রবিউল ইসলাম বলেন, “আমরা সর্বস্ব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছি। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা ও বসতভিটা নির্মাণের সুযোগ পেলে পরিবারগুলো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে।”

    তিনি আরও বলেন, “তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে আমরা ভিটেমাটি ও বসতঘর হারিয়ে নিঃস্ব। স্থানীয়দের সহযোগিতায় নতুন করে বসবাসের জন্য সামান্য জমি পেলেও তা নিচু হওয়ায় ঘর নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে না। জমি ভরাটের জন্য আশপাশে মাটি না থাকায় তিস্তা নদী থেকে প্রয়োজনীয় বালু এনে ভরাটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রশাসনের অভিযানে সেই কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা কোনো বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বালু উত্তোলন করতে চাই না,

    ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে রয়েছেন, মোকলেছুর রহমান, আব্দুল খালেক,রবিউল ইসলাম, সোনভানসহ মোট পাঁচটি পরিবার।

    মানববন্ধন চলাকালে হঠাৎ কয়েকজন বক্তা উপজেলা প্রশাসনকে দায়ী করে বক্তব্য দেন। তবে পরবর্তীতে তারা সেই বক্তব্য ভুল ছিল বলে জানান। শেষে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দ্রুত পুনর্বাসন, বসতভিটা নির্মাণের ব্যবস্থা এবং মানবিক বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য জেলা- উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানানো হয়।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST