ঢাকাMonday , 19 October 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • বান্দরবানের লামায় বালু উত্তোলন নিয়ে তোলপাড়, ৫ লাখ ঘনফুট বালু মজুতের অভিযোগে আজিজুল হক ও শহিদুলের নাম

    admin
    October 19, 2026 2:49 pm
    Link Copied!

    জেলা প্রতিনিধি, বান্দরবানঃ

    বান্দরবানের লামা উপজেলায় বালু উত্তোলন ও মজুত নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। কক্সবাজারের চকরিয়া, বান্দরবানের লামা এবং নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী খুটাখালী ছড়া এলাকায় বিপুল পরিমাণ বালু মজুতের দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় বালু উত্তোলন ও মজুতের কার্যক্রম চললেও তা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। এতে সরকারি প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য এবং রাজস্ব আদায় নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
    স্থানীয়দের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকায় বর্তমানে প্রায় ৫ লাখ ঘনফুট বালু মজুত রয়েছে। তবে বালুর প্রকৃত পরিমাণ, উত্তোলনের উৎস এবং মজুতের বৈধতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
    খুটাখালী ছড়ায় ৯ সেলু মেশিনে বালু উত্তোলনের অভিযোগ
    লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর এলাকার লাইল্যারমার পাড়া স্কুলসংলগ্ন খুটাখালী ছড়ায় বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেখানে নয়টি সেলু মেশিন ব্যবহার করে বালু তোলা হচ্ছে।
    এ ছাড়া কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কালাপাড়া এবং নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাগজীখোলা–বাগ্গুলা বাজারসংলগ্ন এলাকাও আলোচনায় এসেছে। তিন উপজেলার সীমান্তবর্তী এসব স্থানে বালু উত্তোলন ও মজুতের কার্যক্রমের বৈধতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
    অভিযোগে আজিজুল হক ও শহিদুলের নাম
    স্থানীয়দের অভিযোগে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের বাসিন্দা আজিজুল হক, পিতা আব্দুশুক্কুর, এবং শহিদুল, পিতা আব্দুশুক্কুর—এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। এ বিষয়ে তাঁদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
    তাই বালু উত্তোলন ও মজুতের সঙ্গে তাঁদের প্রকৃত সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বালুর উৎস, উত্তোলনের অনুমোদন, পরিবহনের কাগজপত্র এবং মজুতের বৈধতা পরীক্ষা করার দাবি উঠেছে।
    বান্দরবান জেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
    স্থানীয়দের প্রশ্ন, সরকারি পাহাড়, খাল ও ছড়া রক্ষায় কঠোর অবস্থানের কথা বলা হলেও সীমান্তবর্তী এলাকায় বালু উত্তোলনের এমন অভিযোগ কেন সামনে আসছে? বান্দরবান জেলা প্রশাসন ও লামা উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে দেখছে কি না, তা নিয়েও জানতে চান তাঁরা।
    এ ক্ষেত্রে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, চকরিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, তিন উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে বালুর পরিমাণ, উত্তোলনের বৈধতা এবং পরিবেশের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করতে হবে।
    সরকারি রাজস্ব হারানোর আশঙ্কা
    অনুমোদন ছাড়া বালু উত্তোলন হয়ে থাকলে সরকার সম্ভাব্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হতে পারে। তবে কত টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে, তা নির্ধারণে মজুতের প্রকৃত পরিমাণ, উত্তোলনের সময়কাল এবং প্রযোজ্য রাজস্বহার যাচাই করা জরুরি।
    স্থানীয়দের দাবি, শুধু মজুত করা বালু জব্দ করলেই হবে না; বালুর উৎস শনাক্ত করে অবৈধ উত্তোলন বন্ধ এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
    পাঁচ লাখ ঘনফুট বালুর বিষয়ে তদন্তের দাবি
    খুটাখালী ছড়াসহ তিন উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় বালু উত্তোলন ও মজুতের অভিযোগ দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, সরকারি সম্পদ রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং রাজস্ব নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST