জহিরুল ইসলাম সুমন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি//
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের কুলাসার গ্রামের ৮ টি মসজিদে ২০০ শিশু- কিশোর টানা ৪০ দিন ২০০, ওয়াক্ত জামায়াতে নামাজ আদায় প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহন করে ৮ জন শিশু- কিশোর ৮ টি বাইসাইকেল পুরস্কার অর্জন করেছে। এর সাথে আরো ১৪০ জন শিশু – কিশোরকে ব্যাগ ও খাতা কলম পুরস্কার দেয়া হয়।
শক্রবার (৩ অক্টোবর) সাকালে চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুলাসার মাদ্রাসা মাঠে এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাওলানা কাজী মহিউদ্দিন এর সভাপতিত্বে ও আলাউদ্দিন মিশাদের সঞ্চালনা অতিথি ছিলেন বায়ো ফার্মা লি ঃব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাক্তার লকিয়ত উল্লাহ মিলন। বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ একরামুল হক হারুন, ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিভিল সার্জন ডাক্তার গোলাম কিবরিয়া টিপু। সাবেক প্রফেসর মোস্তফা কামাল। আলকরা ইউনিয়ন জামাত ইসলামের আমীর মাওলানা কুতুব উদ্দিন।। শিবির পশ্চিম শাখা সভাপতি আবুল জাফর রাফি। পূর্ব শাখার সভাপতি মোঃ বায়ইজিদ। আযোজক কমিটির আহবায়ক মুজিবুল ইসলাম । বিশিষ্ট সাংবাদিক এ এফ এম রাসেল পাটোয়ারী। সাবেক ছাত্রনেতা জাহিদুল হক ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মাস্টার খাজা মাইনুদ্দিন সবুজ। ধোপাখিলা উচ্চ বিদ্যালয় এর সাবেক সহকারি প্রধান শিক্ষক জাফর আহমেদ ভূঁইয়া । আব্দুল হক। আবু সায়েম সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মজিবুল ইসলাম জানান, শিশু-কিশোরদের মসজিদমুখী করতে ১০ থেকে ২০ বছর বয়সীদের মধ্যে ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ার প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ২০০ জন শিশু-কিশোর নামাজ আদায় শুরু করে। চূড়ান্ত পর্বে ৮জন প্রতিযোগী বিজয়ী হয়ে বাইসাইকেল পুরস্কার অর্জন করেন।
তিনি বলেন, ১০ প্রতিযোগী ৪০ দিনে মাত্র ১ ওয়াক্ত নামাজে অনুপস্থিত ছিল, তাদের জন্য অন্য উপহারের ব্যবস্থা করেছি। এ ধরনের আরও ধর্মীয় প্রতিযোগিতা ভবিষ্যতে অব্যাহত রাখা হবে।
আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানান, গ্রামের শিশুরা যাতে মসজিদমুখী হয়, নামাজের গুরুত্ব বোঝে এবং আল্লাহর হুকুম-আহকামসহ সমাজের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠা করতে পারে সেজন্য এ আয়োজন।
প্রতিযোগিতায় শর্ত ছিল- স্থানীয় শিশু-কিশোরদের ওই মসজিদে জামাতের সঙ্গে টানা ৪১ দিন ধারাবাহিকভাবে নামাজ আদায় করতে হবে। প্রতি ওয়াক্তে ইমাম তাদের হাজিরা গণনা করবেন।
কুলাসার পুরাতন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবুল হোসেন বলেন , এ প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে মসজিদে ভরপুর মুসল্লির উপস্থিতি ছিল, প্রতিযোগীদের সঙ্গে তাদের অভিভাবকও নামাজi পড়তে আসতেন। বিজয়ী শিশুর মতো সমাজের আরও শিশুদেরকে প্রকৃত নামাজি ও চরিত্র গঠনের জন্য ভবিষ্যতে আরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।


