বিপ্লব মজুমদার, সাতক্ষীরা:
আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে চাম্পাফুল কালীবাড়ি মিলন মন্দিরে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। কালীবাড়ি মিলন মন্দিরে চলছে শতবর্ষোত্তর উদযাপনের প্রস্তুতি।মন্দিরটি ১৯২৫ সালে স্থাপিত হয়। দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে বর্নাঢ্য আয়োজনে সেজেছে মন্দির। ঐতিহাসিক পুরাতন রাজবাড়ীর আদলে নির্মিত হয়েছে এবারের দুর্গাপূজার গেট ও প্যান্ডেল। মন্দির কমিটির সভাপতি বাবু বিশ্বজীৎ কুমার বসু ( মন্টু) বলেন, এবারের পূজার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ছয় লক্ষ টাকা যা বিগত একশ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাবু কার্ত্তিক সরকার মন্দিরের সম্পূর্ণ অংশটি সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেন। প্রতিবেদন তৈরির সময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির সহ সভাপতি বাবু রঘুনাথ মণ্ডল, সহসভাপতি বাবু শান্তিরঞ্জন খাঁ,সহসভাপতি বাবু মুকুল সোম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবু রিপন অধিকারী,সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু লক্ষ্মণ সরদার, কোষাধ্যক্ষ বাবু আশুতোষ অধিকারী, হিসাবরক্ষক বাবু দীনবন্ধু মজুমদার, দপ্তর সম্পাদক বাবুু প্রশান্ত খাঁ,প্রচার সম্পাদক বাবু সাজন খাঁ।এছাড়া যুবকমিটির কৃষ্ণ পাল,তাপস পাল, নিশান সরদার, মিলন সরদার,রাজু মণ্ডল, গোবিন্দ সরদার,সঞ্জয় দাস,কমল কৃষ্ণ সরদার,নয়ন পাল,বিধান রায়,রাহুল সরকার, রাকেশ মণ্ডল, শুভ খাঁ, সুমন সরকার,সুব্রত সরদার,শুভ সরদার উপস্থিত ছিলেন। মন্দিরে পূজা চলাকালীন স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব ইতোমধ্যে বন্টন করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। উল্লেখ্য যে, এই ঐতিহ্যবাহী চাম্পাফুল কালীবাড়ি মিলন মন্দিরে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব পালিত হয়। দূরদূরান্ত থেকে বহু ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে।১৯২৫ থেকে ২০২৬ খ্রি. পর্যন্ত শতবছর পেরিয়ে ১০১ বছরে চাম্পাফুল কালীবাড়ি মিলন মন্দির।বিগত একশ বছরের মধ্যে মন্দিরের সবচেয়ে বেশি টাকা বাজেট করে প্রতিমা ও প্যান্ডেল তৈরি করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে এটাই কালীগঞ্জ উপজেলার সবচেয়ে বড় বাজেটের প্রতিমা ও প্যান্ডেল। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।শিল্পীর রংতুলি ও সাজসজ্জার মনোমুগ্ধকর অবয়বে যুক্ত হয়েছে এক নতুন মাত্রা।এ যেনো শতবছরের পূজামণ্ডপের সেরা আয়োজন । মন্দির কমিটির কর্তৃপক্ষ সকল ভক্তবৃন্দকে সবান্ধব আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, এবারের মনকাড়া আয়োজন দর্শনার্থীদের নজর কাড়বে। যা সবমিলিয়ে দক্ষিণ অঞ্চলের এক নতুনত্ব ও দর্শনীয় পূজামণ্ডপে রূপ নেবে। কালীগঞ্জ উপজেলার অন্যতম বৃহৎ বাজেটের কারুকার্যময় প্রতিমা ও নান্দনিক প্যান্ডেল হওয়ার কারণে এবছর ভক্তমণ্ডলী ও দর্শনার্থীদের সমাগম পূর্বের চেয়ে বেশি হবে বলে মনে করেন মন্দির কর্তৃপক্ষ।


