ঢাকাMonday , 31 August 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আমাদের পরিবার
  5. কৃষি বার্তা
  6. খেলাধুলা
  7. গনমাধ্যাম
  8. চাকরি
  9. জাতীয়
  10. তথ্যপ্রযুক্তি
  11. ধর্ম
  12. প্রবাসের খবর
  13. ফ্যাশন
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর
  • থানচির লিটক্রে সীমান্ত সড়কে জিপ দুর্ঘটনা: দুর্গম সড়কের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    admin
    August 31, 2026 4:51 pm
    Link Copied!

    জেলা প্রতিনিধি, বান্দরবান

    বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম লিটক্রে সীমান্ত সড়কে ঠিকাদারের একটি জিপ উল্টে চালক মো. দেরাজ মিঞা (৫৬) নিহত এবং তিন ঠিকাদার আহত হওয়ার ঘটনায় সড়কটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
    রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রেমংপাড়া ক্যাম্প থেকে থানচি সদরে ফেরার পথে লিটক্রে সড়কের ১১ কিলোমিটার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের সহায়তায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত জিপ থেকে চালক ও আহতদের উদ্ধার করে থানচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
    নিহত দেরাজ মিঞা চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার দক্ষিণ ডলুর কুল গ্রামের কবির আহমদের ছেলে। আহত তিনজন হলেন কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার মো. মিজান (৪২), একই উপজেলার ফাঁসিয়াখালী গ্রামের মো. কায়েস (৪০) এবং চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার ঠিকাদার আবদুর রহিম (৫৫)।
    কাজ শেষে ফেরার পথেই দুর্ঘটনা
    সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা দীর্ঘদিন ধরে ১৭ ইসিবির অধীনে থানচি-লিটক্রে সড়কে স্থানীয়ভাবে পাথর ও বালু সরবরাহ এবং সড়কের কার্পেটিংয়ের কাজ করে আসছেন। রোববার সকালে রেমংপাড়া ক্যাম্পসংলগ্ন কাজের স্থান পরিদর্শন শেষে থানচি সদরে ফেরার সময় তাদের ব্যক্তিগত জিপটি দুর্ঘটনায় পড়ে।
    প্রশ্ন হচ্ছে—দুর্গম পাহাড়ি সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা কতটা কার্যকর? দুর্ঘটনাস্থলে সড়কের বাঁক, ঢাল, সড়কের প্রস্থ, প্রতিরোধক ব্যবস্থা কিংবা সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড ছিল কি না—এসব বিষয়ও এখন খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
    তবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তেই বিষয়টি স্পষ্ট হতে পারে।
    দুর্গম পাহাড়ি সড়কে নিরাপত্তা কতটা?
    থানচি-লিটক্রে সড়কটি পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথগুলোর একটি। পাহাড়ি এলাকায় নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ভারী যানবাহন ও ব্যক্তিগত জিপ চলাচলের ক্ষেত্রে চালকের দক্ষতার পাশাপাশি সড়কের নিরাপত্তা, যানবাহনের সক্ষমতা এবং আবহাওয়া ও সড়কের তৎকালীন পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ।
    এ ধরনের সড়কে দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। সর্বশেষ দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতা চালানো হলেও ঘটনাস্থলেই চালকের মৃত্যু হয়।
    তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ বের করার দাবি
    স্থানীয়দের মতে, দুর্ঘটনাকে শুধু চালকের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঘটনা হিসেবে দেখলে এর পেছনে থাকা অন্যান্য সম্ভাব্য কারণগুলো আড়ালে থেকে যেতে পারে। সড়কের অবস্থা, যানবাহনের যান্ত্রিক সক্ষমতা, চালকের শারীরিক অবস্থা, অতিরিক্ত যাত্রী বা মালামাল ছিল কি না, দুর্ঘটনাস্থলের বাঁক ও ঢাল এবং সড়কের নিরাপত্তা অবকাঠামো—সবকিছুই তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।
    থানচি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা রহিদুল রহমান মৃধা জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে জিপচালক ও আহতদের উদ্ধার করেন।
    বান্দরবান পুলিশ সুপার থা. ওয়াবুল ইসলাম খন্দকার জানান, খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী ও থানচি থানা-পুলিশ সমন্বিতভাবে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দুর্ঘটনায় একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন।
    এদিকে একজন অভিজ্ঞ চালকের প্রাণহানির ঘটনায় শোকের পাশাপাশি দুর্গম লিটক্রে সীমান্ত সড়কে যান চলাচলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে পর্যালোচনার দাবি উঠেছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

    এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
  • Design & Developed by: BD IT HOST