এস এম মনিরুজ্জামান | স্ট্যাফ রিপোর্টার
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা এনটিআরসিএ সনদ জালিয়াতি করে আপন ভাতিজাকে সহকারী মৌলভী পদে চাকরি দেয়ার অপরাধে ভুরুঙ্গামারী কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মোঃ সাইদুর রহমান গ্রেফতার হলেন যার মামলা নংঃ সিআর-১৫২৬। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা গেছে চাকরি দেয়া বাবদ তার ভাতিজার কাছে ভুরুঙ্গামারীর পাবলিক ক্লাবের পূর্ব পাশ্বে ৩ শতক জমি বাড়ি ও দোকানসহ লিখে নিয়েছিল যার মূল্য কোটি টাকা। যার পরিপ্রেক্ষিতে সনদ জালিয়াতি মামলা করেন উক্ত এলাকার রফিকুল ইসলাম। মামলায় আদালত সমন জারি করলেও তিনি হাজিরা দেন নি। ফলে কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করেন তার বিরুদ্ধে। ইতোপূর্বে তিনি অন্য মামলায় ১৪ দিন হাজতে থাকার কারণে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল এবং তার ভাতিজা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের বেতন স্থগিত করেছিল মাদ্রসা শিক্ষা বোর্ড। কমিটি না থাকার কারণে তাকে বহাল করা যায়নি। কিন্তু মাননীয় এম পি মহাদয়ের চেষ্টায় তাকে বহাল করার চেষ্টা করা হয় এবং কমিটি করে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য বলা হয়। আজ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে বেতনের জন্য গেলে তিনি নিজেকে বহাল দাবি করেন পূর্ণ বেতনের দাবি করেন। আইন অনুযায়ী তিনি তার বৈধতা না থাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূর্ণ বেতন প্রদানে অস্বীকৃতি জানান এবং তার অর্ধেক বেতন ও শিক্ষকদের পূর্ণ বেতন নিতে বলেন। তিনি তার বেতন পূর্ণ হওয়ায় তিনি শিক্ষকদের বেতনে স্বাক্ষর করতে অসম্মতি জানিয়ে উপজেলা চত্তর থেকে বের হওয়ার সময় গ্রফতার হন। এছাড়াও ইতোপূর্বে তার বিরুদ্ধে শিক্ষকদের হয়রানি ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে।

